বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে শনিবার বেলা ১১টায় পুড়ে যাওয়া ভবনটি পরিদর্শনে আসেন নাগরিক তদন্ত কমিটির প্রতিনিধি দল। তাঁরা পুরো ভবনটি ঘুরে দেখেন। এ বিষয়ে অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ বলেন, ‘হাড়গুলো আমরা দেখেছি। পুরো ভবনেই বিভিন্ন মালামালের পোড়া স্তুপ আছে। আমরা তদন্তের সময় এই বিষয়গুলো বিবেচনা করব।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স নারায়ণগঞ্জ জেলার উপসহকারী পরিচালক তানহারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরাও তদন্ত কমিটির সঙ্গে ভবন পরিদর্শনে ছিলাম। তখন এমন কোনো ঘটনা দেখতে পাইনি। এমন কিছু আছে কিনা তা খুঁজে দেখছি।’

এই দলে আছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবী মাহবুবুর রহমান ইসমাইল, ডা. মো. হারুন-রশিদ, প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন, অধ্যাপক তানজীম উদ্দিন খান, গবেষক ও সাংবাদিক প্রিসিলা রাজ ও মাহা মির্জা, শিল্পী ও সংগঠক বীথি ঘোষ, বাংলাদেশ শ্রম ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি গোলাম মুর্শেদ, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি শবনম হাফিজ, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সবুজ, গবেষক ও মানবাধিকার কর্মী রেজাউর রহমান লেনিন।

গত ৮ জুলাই বিকেলে রূপগঞ্জের হাসেম ফুড লিমিটেডের ৬ তলা কারখানা ভবনে আগুন লাগার ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ শ্রমিক। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৮টি ইউনিট টানা প্রায় ৪৮ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই ঘটনায় জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

default-image

আগুনে পুড়ে মৃত্যুর ঘটনায় রূপগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ূন কবীর বাদী হয়ে কারখানামালিক আবুল হাসেম ও তাঁর চার ছেলে, প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ আটজনকে গ্রেপ্তারের পর চারদিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ ঘটনায় আবুল হাসেমের দুই ছেলে জামিনে মুক্ত আছেন। এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) মামলাটি হস্তান্তরের নির্দেশ দেয় পুলিশ সদর দপ্তর।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন