বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য কমিটি ঘোষণার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করে নতুন কমিটি ঘোষণার পর আগামী সাত দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি দুটির মেয়াদ এক বছর।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করে নতুন কমিটি ঘোষণার পাশাপাশি জেলা থেকে চারজন ও মহানগর থেকে দুজন করে ছয়জনকে কেন্দ্রীয় সদস্য পদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা হলেন হোসাইন মুহাম্মদ সাগর, সঞ্জয় পাশী, জাওয়াদ ইবনে জাহিদ খান, বিপ্লব কান্তি দাস, মুহিবুর রহমান ও কনক পাল।

স্থানীয় ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে, সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সর্বশেষ কমিটি কেন্দ্র থেকে গঠন করা হয়েছিল ২০১৪ সালে। কমিটিতে শাহরিয়ার আলমকে সভাপতি ও এম রায়হান চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এই কমিটি গঠনের পর জেলা ছাত্রলীগে অস্থিরতা দেখা দেয়। কমিটির পদপ্রাপ্ত নেতাদের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে পদবঞ্চিত একটি অংশ। একাধিকবার কমিটি স্থগিতও করা হয়।

কেন্দ্রীয় কমিটি শাহরিয়ার-রায়হানকে সম্মেলন করার জন্য তারিখ নির্ধারণ করে দিলেও তাঁরা সম্মেলন করতে ব্যর্থ হন। এরপর ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর টিলাগড়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে খুন হন ছাত্রলীগ কর্মী ওমর মিয়াদ। এ হত্যায় জেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক এম রায়হান চৌধুরী প্রধান আসামি হন। মামলা হওয়ার পর ১৮ অক্টোবর কেন্দ্র থেকে জেলার পুরো কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।

একইভাবে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি ২০১৫ সালের ২০ জুলাই কেন্দ্র থেকে গঠন করা হয়েছিল। আবদুল বাছিতকে সভাপতি ও আবদুল আলীমকে সাধারণ সম্পাদক, সজল দাস ও সৈকত চন্দ্রকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে চার সদস্যের কমিটিকে ছয় মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীকালে তিন বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। ২০১৮ সালে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ছাত্রলীগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে ওই বছরের ২১ অক্টোবর কেন্দ্র থেকে বিলুপ্ত করা হয়েছিল মহানগর কমিটি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন