চার লেনের সুবিধায় দ্রুত এলেঙ্গা পর্যন্ত এসে আটকে যায় দুই লেনের মুখে। সেখান থেকেই যানজটের শুরু হয়। এ ছাড়া সেতুতে টোল দিতে গিয়েও যানজট লেগে যায়। কয়েক বছর ধরে মূলত এ কারণেই যানজট হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু টোল প্লাজা সূত্র জানায়, স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন ১২-১৩ হাজার যানবাহন

সেতু পারাপার হয়। ঈদের আগে যানবাহন পারাপার হয় ৩০-৩২ হাজার। স্বাভাবিকের চেয়ে অধিক যানবাহন পারাপার হওয়ায় দুই লেনের সড়কে যানজট লেগে যায়।

সেতুর পশ্চিম প্রান্তেও (সিরাজগঞ্জ অংশে) দুই লেনের সড়ক। এ ছাড়া সেখানে কয়েকটি সরু সেতু রয়েছে। এ কারণে পশ্চিম প্রান্তে যানজট লেগে সেতু অতিক্রম করে টাঙ্গাইল অংশ পর্যন্ত চলে আসে।

গতকাল রোববার এই মহাসড়কের টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, চার লেন সড়ক। সড়কের দুই পাশে সার্ভিস লেন সব চালু আছে।

যানবাহন দ্রুত গতিতে চলাচল করছে। মির্জাপুরের গোড়াই ফ্লাইওভারের ঢালাইয়ের কাজ হয়েছে। চার লেন প্রকল্পের ব্যবস্থাপক অমিত চক্রবর্তী জানান, এই ফ্লাইওভার ঈদের ১০ দিন আগে চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তাই

এই সড়কে এলেঙ্গা পর্যন্ত আর কোনো সমস্যা থাকছে না।

গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক জানান, পুলিশ মহাসড়কসংলগ্ন সোহাগপুর এলাকায় বাজার বসানো বন্ধ করে দিয়েছে। এ ছাড়া মহাসড়কের দুই পাশে যে ব্যবসায়ীরা ইট-বালু রেখে ব্যবসা করছেন, তাঁদের এগুলো সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাই এই অংশে যানজট হওয়ার আশঙ্কা খুবই কম।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, ঈদের ছুটির সময় মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে আট শতাধিক পুলিশ কাজ করবে। এ ব্যাপারে একাধিক সভা করা হয়েছে।