বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়। এলাকাভিত্তিক দল তৈরি করে যোগ্য ব্যক্তিদের জাতীয় পরিচয়পত্রের নিবন্ধনের কাজ চলে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে দুই বছর ধরে ওই কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। কয়েক মাস ধরে দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রম চলছে। এ জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা বাধ্যতামূলক। তাই লোকজন জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য নিবন্ধন করতে ভিড় করছেন। নতুন নিবন্ধনের পাশাপাশি ভোটার স্থানান্তর, জাতীয় পরিচয়পত্রের সংশোধন ও মুদ্রিত কার্ড বিতরণের মতো দৈনন্দিন কাজ রয়েছে। এ অবস্থায় চাপ কমাতে প্রতি সোম ও বুধবার নতুন নিবন্ধনের দিন নির্ধারণ করে দিয়েছে নির্বাচন কার্যালয়গুলো।

খুলনা জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের নিচতলায় অবস্থিত খুলনা সদর, সোনাডাঙ্গা ও খালিশপুর থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়। গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় সরেজমিনে দেখা যায়, সেখানে মানুষের ভিড়। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ছেলেমেয়ে বেশি। নিবন্ধনপ্রার্থীরা আগেই অনলাইন বা নির্বাচন কার্যালয় থেকে ফরম নিয়ে আবেদন করেছেন। এখন তাঁরা এসেছেন ছবি ও আঙুলের ছাপ দিতে। একে একে আবেদন নিয়ে তাঁরা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রবেশ করছেন। নির্বাচন কর্মকর্তা কাগজপত্র যাচাই করে পাঠিয়ে দিচ্ছেন আঙুলের ছাপ ও ছবি তোলার জন্য নির্ধারিত কক্ষে।

খুলনা নগরের খালিশপুরের মুজগুন্নী উত্তরপাড়া থেকে এসেছিলেন নাহিদ হাসান। ২০১৯ সালে এইচএসসি পাস করেছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির চেষ্টা করছেন। নাহিদ হাসান বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া করোনার টিকা নিতে পারছেন না। এ কারণে তিনি নিবন্ধন করতে এসেছেন। জাতীয় পরিচয়পত্র পেলেই টিকার জন্য নিবন্ধন করবেন।

সোনাডাঙ্গা ও খালিশপুর থানার নির্বাচন কর্মকর্তা সৌমেন বিশ্বাস বলেন, মূলত টিকা নেওয়ার জন্যই এখন জাতীয় পরিচয়পত্রের নিবন্ধন করার হিড়িক পড়েছে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি প্রবাসীরাও নিবন্ধনের জন্য আবেদন করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন