বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই দুয়ারি নদীর তলদেশে বসানো হয়। উভয় দিক থেকে ছুটে চলা যেকোনো মাছ সহজেই এতে আটকা পড়ে। একবার মাছ ঢুকে পড়লে বের হওয়ার সুযোগ থাকে না। নদীর ওপর থেকে চিহ্ন রাখতে বাঁশের খুঁটি পোতা হয়, যা দেখে সহজে বোঝা যায়, সেখানে দুয়ারি বাঁধা রয়েছে। একটি চায়না দুয়ারির দাম ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়।

জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মুন্সিগঞ্জ, মাগুরা, ফরিদপুর, পাবনা ও মানিকগঞ্জে নদীতে প্রথমে দুয়ারি ব্যবহার শুরু হয়। ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরা পড়ায় গোয়ালন্দেও ব্যবহৃত হচ্ছে।

দৌলতদিয়া মজিদ শেখের পাড়ার পাশে নদীতে দেখা যায়, খুঁটির সঙ্গে চায়না দুয়ারি পুঁতে রাখা হয়েছে। নদীর পাড়ে ছোট ডিঙি নৌকা নিয়ে জেলেরা অপেক্ষা করছেন। কেউ নদীর পাড়ে দুয়ারি রোদে শুকাতে দিয়েছেন। আবার কেউ নদীর পাড়ে বসে ছেঁড়া জাল মেরামত করছেন।

রোদে জাল শুকাতে দিয়েছেন দুলাল শেখ নামের এক জেলে। তিনি বলেন, অল্প পুঁজিতে দুয়ারিতে অনেক মাছ পাওয়া যায়। নদীর মাছের চাহিদা সব সময় থাকে। দামও ভালো পাওয়া যায়। তাই চায়না দুয়ারির প্রতি ঝুঁকছেন সবাই।

জমাত আলী নামের আরেক জেলে বলেন, ‘পুলিশ ঝামেলা করে। নৌ পুলিশ ও মৎস্য অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে মাছ ধরতে হয়।’

এ সম্পর্কে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি মাত্র যোগদান করেছি। চায়না দুয়ারি কী, আমার ধারণা নেই। নৌ পুলিশের কেউ কোনো অন্যায় কাজে জড়িত থাকলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন