default-image

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পাসের পর পল্লিচিকিৎসার ওপর কোর্স করেন তিনি। তবে কোনো মেডিকেল কলেজ পাসের সনদ নেই। নেই বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধনও। তবুও তিনি নিজের নামের আগে ‘ডাক্তার’ জুড়ে দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাঁতের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন।

এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে বুধবার ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে মানিকগঞ্জের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। জরিমানাপ্রাপ্ত ওই যুবক হলেন সুকুমার বৈদ্য (২৫)। তিনি সিঙ্গাইর উপজেলার ধল্লা গ্রামের বাসিন্দা।

বিজ্ঞাপন

জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সিঙ্গাইরের ধল্লা বাজারে ‘বৈদ্য মেডিকেল হল’ নামের একটি ওষুধের দোকান খুলে সুকুমার বৈদ্য দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপত্র দিয়ে আসছিলেন। এ জন্য রোগীদের কাছ থেকে ১০০ থেকে ২০০ টাকা করে নিতেন। চিকিৎসক না হয়েও ব্যবস্থাপত্র দেওয়ায় সম্প্রতি প্রতারণার শিকার কয়েকজন রোগী ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌসের নির্দেশে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল ধল্লা বাজারে ওই ওষুধের দোকানে অভিযান চালান। এ সময় ওই যুবককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, রোগীর চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই এমবিবিএস ডিগ্রিধারী ও বিএমডিসির নিবন্ধনযুক্ত হতে হবে। সুকুমারের এসবের কিছুই নেই। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী তাঁকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে চিকিৎসক সেজে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করবেন না মর্মে ওই যুবক মুচলেকাও দিয়েছেন।

মন্তব্য পড়ুন 0