বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয়দের অভিযোগ, মেছো বাঘটি খামারের হাঁস ও গ্রামের লোকজনের মোরগ ধরে খেয়ে ফেলে। এদিকে স্থানীয় একজনের মাধ্যমে মেছো বাঘ ধরার খবরটি পৌঁছায় বাংলাদেশ বন অধিদপ্তরের বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটে। এরপর ইউনিট থেকে মেছো বাঘটি খাঁচাবন্দী থাকার খবরটি পান স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্ট্যান্ড ফর আওয়ার এনডেঞ্জার ওয়াইল্ডলাইফ’-এর (এসইডব্লিউ) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সোহেল শ্যাম।

বিষয়টি বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরীকে জানান সোহেল শ্যাম। এরপরই একটি উদ্ধারকারী দল গতকাল সোমবার বিকেলে সানন্দাপুরের লাল মিয়া নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে মেছো বাঘটি উদ্ধার করে।

এই দলে ছিলেন বন বিভাগের মৌলভীবাজার সদরের রেঞ্জ কর্মকর্তা গোলাম ছারওয়ার, এফজি সাদেকুর রহমান, ড্রেসার সোহেল আহমেদ ও এসইডব্লিউর সোহেল শ্যাম। এরপর মেছো বাঘটি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের জানকীছড়া রেসকিউ সেন্টারে রাখা হয়। মেছো বাঘটি খাঁচায় ধরা পড়ার সময় কিছুটা আহত হয়েছে। মাথায় ক্ষতের চিহ্ন আছে।

বন বিভাগ জানিয়েছে, মেছো বাঘ ফাঁদ পেতে ধরা, শিকার, হত্যা, পাচার, কেনাবেচায় দুই বছরের কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান আছে।

রেজাউল করিম চৌধুরী আজ মঙ্গলবার জানান, এর আগে অনেকগুলো মেছো বাঘ লাউয়াছড়াতে ছাড়া হয়েছে। কিন্তু পরে ক্যামেরা ট্র্যাপ করে দেখা গেছে একটাও ক্যামেরায় ধরা পড়েনি। এরা এখানে (লাউয়াছড়ায়) থাকে না। এরা বিলের ধারে থাকে। সেখানেই চলে গেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন