বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন এই কাউন্সিলর।
সংবাদ সম্মেলনে রুমকি সেনগুপ্ত বলেন, গত ৬ অক্টোবর নগরের সদরঘাট মেনন হাসপাতাল এলাকার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পথে তাঁর স্বামীর কাছ থেকে অভিনব কায়দায় একটি আইফোন নিয়ে যায় দুবৃর্ত্তরা। ফোনটি তাঁর। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এক মাস হলেও পুলিশ কিছুই করেনি। পরে এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়। ঘটনায় জড়িত একজন সম্পর্কে পুলিশকে তথ্য দেওয়া হলেও তারা আসামি গ্রেপ্তার করেনি। উল্টো আসামির পক্ষ হয়ে কয়েক দিন আগে নগরের রিয়াজউদ্দিন বাজার এলাকার ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন করেন।

সরকারদলীয় সমর্থক একজন নারী কাউন্সিলর হয়ে থানা–পুলিশের হয়রানির শিকার হচ্ছেন দাবি করে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা, সেই প্রশ্ন তোলেন রুমকি সেনগুপ্ত। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চান। বক্তব্যের একপর্যায়ে রুমকি ও তাঁর স্বামী প্রেমাংশু সেনগুপ্ত কান্নায় ভেঙে পড়েন।

জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন আজ সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, জিডিতে ঘটনাস্থল ভুলভাবে লেখায় একটি সংশোধন করে দিতে বলা হয়। মামলা হওয়ার পর পুলিশ মুঠোফোনটি উদ্ধারের চেষ্টা করেছে। এটি বন্ধ থাকায় অবস্থান নির্ণয় করা যায়নি। পুলিশ কাউকে হয়রানি করেনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন