বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে আপনি কী ভূমিকা রেখেছেন?

আবদুল খালেক: বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর কোনো কমিটিতে আমাকে রাখা হয়নি। নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা সিন্ডিকেটে থাকলে এসব ব্যাপারে কথা বলতে পারতাম।

প্রথম আলো: আপনি কেমন বিশ্ববিদ্যালয় চেয়েছিলেন?

আবদুল খালেক: রবীন্দ্রনাথ বিশ্বকবি। সারা পৃথিবী থেকে মানুষ আসবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে। চেয়েছিলাম বিশ্বমানের স্থপতি এনে কাজ করানো হবে।

প্রথম আলো: পড়াশোনার মানটা কেমন হওয়ার কথা আপনারা ভেবেছিলেন?

আবদুল খালেক: রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে সব বিষয়ে পড়ানো হবে। বিশ্বভারতীতে যা পড়ানো হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যা পড়ানো হয়—সব বিষয় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে। এখানকার শিক্ষার্থীদের চাকরির বাজারে দাঁড়াতে হবে। তাই রবীন্দ্রনাথের নামে বিশ্ববিদ্যালয় বলে যে সবাইকে শুধু রবীন্দ্রসাহিত্য পড়াতে হবে, তা নয়। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে প্রতিটি বিষয়ের শিক্ষার্থীদের একটি আবশ্যিক কোর্স থাকবে। যেমনটি ত্রিশালের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে।

প্রথম আলো: বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীদের চুল কর্তনের ঘটনা নিয়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, এ ব্যাপারে করণীয় কী?

আবদুল খালেক: দ্রুত যোগ্য ও অভিজ্ঞ উপাচার্য নিয়োগ দিতে হবে। ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য দিয়ে কিছু হয় না।

প্রথম আলো: শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা কীভাবে দেখছেন?

আবদুল খালেক: এ বিষয়ে আমাকে দায়িত্ব নিয়ে কথা বলতে হবে। কারণ, আমি নিজে চুল কেটে দিতে দেখিনি। পত্রপত্রিকায় দেখেছি, টেলিভিশনের খবরে শুনেছি। অনেক সময় বিভ্রান্তিকর খবরও আসে। তবে যদি ঘটনাটি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে এটা খুবই দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। যদি শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন এমন কাজ করে থাকেন, তাহলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার অযোগ্য। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগপ্রক্রিয়াই প্রশ্নবিদ্ধ হয়। যাঁরা তাঁকে নিয়োগ দিয়েছেন, তাঁরাও এর দায় এড়াতে পারবেন না। তবে ওই শিক্ষককে বহিষ্কার করার জন্য আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। আমি তাঁদের বলে দিয়েছি, এ ব্যাপারে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না। বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটই যথেষ্ট।

প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ।

আবদুল খালেক: প্রথম আলোকেও ধন্যবাদ। শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আমার স্বপ্নের কথাটি প্রথম আলোই প্রথম ছেপেছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন