বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২১ সেপ্টেম্বর যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক কামরুজ্জামান দুলাল স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুটি উপজেলার আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। সদর উপজেলায় এম এইচ মোস্তফাকে আহ্বায়ক ও পৌর কাউন্সিলর মহলদার ইমরান রিন্টুকে সদস্যসচিব এবং আলমডাঙ্গা উপজেলায় খায়রুল ইসলামকে আহ্বায়ক ও রফিকুল ইসলামকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, জেলা যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কোনো পরামর্শ ছাড়াই কেন্দ্রীয় কমিটি দুটি উপজেলা যুবদলের নেতৃত্বে পরিবর্তন এনেছে, যা সম্পূর্ণভাবে অসাংগঠনিক। অবৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাঁদের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব করা হয়েছে, তাঁরা কেউই সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় নন। এম এইচ মোস্তফা সার্বক্ষণিক চাকরিজীবী এবং মহলদার ইমরান চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ‘আওয়ামী মানসিকতার’।

অন্যদিকে খায়রুল ইসলাম ঢাকায় আদম ব্যবসা করেন ও সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকায় স্থানীয় যুবদলের রাজনীতিতে কোনো ভূমিকা নেই। ২০০৯, ২০১৪, ২০১৮ সালের আন্দোলন–সংগ্রামেও তাঁদের উপস্থিতি ছিল না।

জেলা যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপজেলা কমিটি পরিবর্তনের তালিকায় স্বাক্ষর করেননি। এরপরও কেন্দ্রীয় যুবদল কোন নিয়মে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব পদে পরিবর্তন আনেন, তা গণমাধ্যমের মাধ্যমে কেন্দ্রের কাছে প্রশ্ন রাখেন পদবঞ্চিত নেতারা।

এ বিষয়ে জেলা যুবদলের সভাপতি শরীফ-উজ-জামান বলেন, গঠনতন্ত্রের নিয়মানুযায়ী, উপজেলা কমিটিকে অনুমোদন দেবে জেলা কমিটি। অথচ কেন্দ্রীয় যুবদল মনগড়া তালিকা করে তাতে স্বাক্ষর করতে বলে। আওয়ামী মনমানসিকতা ও আন্দোলন–সংগ্রামের বাইরে থাকা লোকদের নাম তালিকায় থাকায় তাঁরা এতে স্বাক্ষর করেননি। তাঁদের পক্ষ থেকেও কমিটির তালিকা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন