পুলিশ জানায়, গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে কামাল হোসেন খাবার খেয়ে কাজ আছে বলে বাড়ি থেকে বের হন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পথচারীরা একটি নার্সিং হোমের পাশে তাঁকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে মুন্সীগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় একটি নার্সিং হোমে নেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আহসানুল হক প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে কামাল হোসেনকে হাসপাতালে আনা হয়। কিন্তু হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা যান। কামাল হোসেনকে যখন হাসপাতালে আনা হয়, তখন তাঁর ডান কান দিয়ে রক্ত পড়ছিল। দুই হাঁটুর নিচে ক্ষতচিহ্ন আছে, যেগুলো ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন