default-image

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় উল্টে যাওয়ায় অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। আজ রোববার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ মহাসড়কের চারমাইল এলাকায় হঠাৎ সামনে চলে আসা মোটরসাইকেলকে রক্ষা করতে গিয়ে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জনই দুর্ঘটনাকবলিত বাসের যাত্রী এবং বাকিদের মধ্যে একজন মোটরসাইকেলচালক ও অন্যজন আরোহী। আহত ব্যক্তিদের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন জাহারুল, ফাবিহা খাতুন, মিমমা খাতুন, খাদিজা বেগম, সাধনা আক্তার, উম্মে হাবিবা, আফরোজা খাতুন, বিউটি খাতুন, মাহিম, সুমাইয়া খাতুন, আবু উবায়দা, আবদুল আলিম ও হাবিবা।

বিজ্ঞাপন

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সবুজ আলী বলেন, ওই বাস ঝিনাইদহ থেকে চুয়াডাঙ্গা অভিমুখে যাচ্ছিল। দ্রুতগতির বাসটি চারমাইল এলাকায় পৌঁছালে স্কুলছাত্রীসহ একটি মোটরসাইকেল হঠাৎ বাসের সামনে চলে আসে। মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহীকে বাঁচাতে কড়া ব্রেক করলে বাসটি সেখানে বাঁ দিকে উল্টে যায় এবং বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলটি রাস্তায় ছিটকে পড়ে। এ সময় বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং মোটরসাইকেলেরও ক্ষতি হয়। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন আহত বাসযাত্রীদের জানালার কাঁচ ভেঙে উদ্ধার করেন। পরে আহত ব্যক্তিদের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের পরামর্শক ওয়ালিউর রহমান জানান, আহত ব্যক্তিদের সবাই ঝুঁকিমুক্ত।

চুয়াডাঙ্গা আন্তজেলা বাস টার্মিনালে কর্মরত বাসের সময় নিয়ন্ত্রক আশকার আলী বলেন, বাসচালক হায়দার আলী নিজে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহীর জীবন রক্ষা করেছেন। তবে বাসটির মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে, যা মেরামতে লক্ষাধিক টাকা খরচ হবে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন