বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও চুয়াডাঙ্গার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাজহারুল ইসলাম। এ সময় সদর হাসপাতালের সহকারী সার্জন মো. তারেক জুনায়েদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম ভূঁইয়া ও পুলিশ সদস্যরা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও শামীম ভূঁইয়া বলেন, ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে চক্ষুসেবা কেন্দ্র ও হেলথ অ্যান্ড হোপ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক কথিত চক্ষু বিশেষজ্ঞ শামসুর রহমান নিজে এমবিবিএস পাস না হয়েও নামের আগে চিকিৎসক এবং শেষে এমবিবিএস ডিগ্রি ব্যবহার করে আসছিলেন। একই সঙ্গে চক্ষু চিকিৎসা বিষয়ে ডিগ্রি না থাকার পরও নিজেকে বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসক পরিচয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। অভিযানে অভিযোগে সত্যতা পাওয়ায় তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ইউএনও বলেন, যত দূর জানা গেছে, শামসুর রহমান মূলত একজন টেকনিশিয়ান। সাইনবোর্ড ও প্যাড থেকে চিকিৎসক মুছে টেকনিশিয়ান লেখার পর শর্ত সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে খুলে দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন