বিজ্ঞাপন

সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ক্যানসারে আক্রান্ত রোকেয়া বেগমের চিকিৎসার জন্য তাঁকে স্বামী শহিদুল্লাহ সম্প্রতি ভারতে নিয়ে যান। পরে তাঁরা সেখানে লকডাউনে আটকে পড়েন। গত মঙ্গলবার তাঁরা চুয়াডাঙ্গার দর্শনা বন্দর হয়ে ভারত থেকে দেশে প্রবেশ করেন। রোকেয়া বেগম ক্যানসারের রোগী হওয়ায় ওই দিন থেকে তাঁকে সদর হাসপাতালে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার পৌনে ১২টার দিকে তিনি মারা যান।

ভারত থেকে রোকেয়া বেগম ১৮ মে দেশে ফেরার পর ওই দিন থেকে তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়।

অপরদিকে, আছিয়া বেগম (৬৫) জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্টের মতো করোনার উপসর্গ নিয়ে ১২ মে চুয়াডাঙ্গার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ‘ইয়েলো জোনে’ ভর্তি হন। ১৬ মে নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন করোনা পজিটিভ এলে সেখান থেকে তাঁকে ‘রেড জোনে’ আইসোলেশনে নেওয়া হয়। আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১টার দিকে মারা যান তিনি।

সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) এ এস এম ফাতেহ আকরাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রোকেয়া বেগমের লাশ তাঁর স্বজনেরা চট্টগ্রামে নিয়ে গেছেন। আছিয়ার লাশ করোনা প্রটোকল মেনে তাঁর নিজ গ্রাম সরিষাডাঙ্গায় দাফন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন