বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযোগ পেয়ে ইউএনও রোববার বিকেল চারটার দিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাবের মোহাম্মদ শোয়াইবকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী আফজাল হোসেনের করাতকল থেকে গাছগুলো জব্দ করেন।

করাতকলের মালিক আফজাল হোসেন বলেন, ‘আমি ৩টি গাছ কিনেছি ৬০ হাজার টাকায়। বাকি দুটি গাছ চেয়ারম্যান তাঁর নিজের আসবাবপত্র বানানোর জন্য ফাড়াই করেছেন। বাকি গাছগুলো বিক্রির জন্য এখনো রয়েছে।’

ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ বলেন, ‘গাছগুলো শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। আর যাঁরা গাছ লাগিয়েছিলেন, তাঁদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। গাছগুলো বিক্রি করে সেই অর্থ মসজিদে দেওয়া হবে।’ তবে নিয়ম মেনে গাছগুলো কাটা হয়নি বলেও তিনি স্বীকার করেন।

এ বিষয়ে ইউএনও জিনাত রহমান বলেন, স্থানীয় লোকজনের কাছে জানতে পেরে সহকারী কমিশনার জাবের মোহাম্মদ শোয়াইবকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। তিনি ১৪টি গাছ জব্দ করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারি গাছ কাটতে হলে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে একটি কমিটি করা হয়। সেই কমিটি গাছগুলোর মূল্য নির্ধারণ করবে। পরে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি হবে এবং সেই অর্থ ন্যায্যতার ভিত্তিতে উপকারভোগীদের প্রদান করে বাকি অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে। কিন্তু ওই চেয়ারম্যান কোনো প্রক্রিয়া না মেনে গাছগুলো কেটেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন