বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কালুপাড়া ইউপিতে ১৯৯১-৯৫ সালে চেয়ারম্যান ছিলেন একরামুল হক। তাঁর ছোট ভাই শহিদুল হক ২০০৩ সাল থেকে একই ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ওই ইউপির অন্তত ৩০ জন ভোটার বলেন, পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে এবারই প্রথম একই ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন তিন ভাই। নির্বাচনী প্রচারণায় এক ভাই অপর ভাইয়ের বিরুদ্ধে বিষোদ্‌গারও করছেন। মেজো ভাই মোতালেব হোসেন গত নভেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় ডান পা হারিয়েছেন। অসুস্থ অবস্থাতেই তিনি ভোটারদের কাছে গিয়ে নিজ প্রতীকে ভোট চাচ্ছেন।

ওই ইউপির ভোটার ইয়াছমিন বেগম বলেন, আপন তিন ভাই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়ে একে অপরের সমালোচনা করে বক্তব্য দিচ্ছেন। ভোটাররা এটা স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছেন না। শামসুল ইসলাম নামের এক ভোটার বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় তিন ভাই একে অপরের চরিত্র হনন করে বক্তব্য দিয়ে বেড়াচ্ছেন।

জানতে চাইলে চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদুল হক বলেন, বড় দুই ভাই ঈর্ষান্বিত হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। ভোটাররা সেটা বুঝতে পেরেছেন।

তবে মেজো ভাই মোতালেব হোসেন বলেন, ছোট ভাই শহিদুল ইসলাম চেয়ারম্যান হিসেবে ইউনিয়নে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছে। তাই ভোটারদের অনুরোধে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়ে তিনি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন।

বড় ভাই একরামুল হক বলেন, ‘আমি আগে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলাম। বর্তমান চেয়ারম্যান শহিদুল হকের প্রতি মানুষ ক্ষুব্ধ। আমার প্রতি ভোটারদের আস্থা রয়েছে।’

২৬ ডিসেম্বর কালুপাড়া ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে চেয়ারম্যান পদে আরও তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইউপিতে ভোটার রয়েছেন ১৪ হাজার ৯৮৪ জন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন