বিজ্ঞাপন

রামপাল উপজেলার তালবুনিয়া গ্রামের মো. সোহানুর রহমান বলেন, গত মঙ্গলবার রাতের জোয়ার থেকে এলাকায় পানি ঢুকছে। স্থায়ী বেড়িবাঁধ না থাকলেও স্থানীয় প্রশাসনের করা প্রায় প্রতিটি বাঁধ উপচে পানি এসে তলিয়ে যাচ্ছে মাঠ-গ্রাম। চোখের সামনে ঘেরগুলো ভেসে গেল, কিচ্ছু করার নেই।

চিংড়িচাষি শাহরিয়ার শেখ বলেন, ‘মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার রাত পর্যন্ত তিনটি জোয়ারের পানিতে আমাদের ঘের ভেসে গেছে। এতে আমার ঘেরে ছাড়া কয়েক লাখ টাকার বাগদা চিংড়ির রেণু বের হয়ে গেছে।’

মৎস্য বিভাগের বাগেরহাট কার্যালয়ের বিভাগীয় মৎস্য কর্মকর্তা (ডিএফও) এ এস এম রাসেল গতকাল রাতে প্রথম আলোকে বলেন, বাগেরহাটের রামপাল, মোংলা, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা—এই চার উপজেলা ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ২ হাজার ৯১টি মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে। এতে চাষিদের ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন