মামলার এজাহারে চাঁদনী আক্তার উল্লেখ করেন, একই এলাকায় বসবাস করার সুবাদে মো. আক্তারুজ্জামান ও রিফাত মনির লিজা দম্পতির সঙ্গে তাঁর সখ্য গড়ে ওঠে। সেই সূত্রে তাঁরা (দম্পতি) তাঁর ফেসবুক আইডি খুলে দেন। তবে গোপনে তাঁর ফেসবুকের ই–মেইল ও পাসওয়ার্ড রেখে দেন। গত ১৭ আগস্ট তাঁদের দুজনের নিজ নিজ ফেসবুক আইডি থেকে বাদীর ভিডিও কলে কথোপকথনের ভিডিও চিত্র গোপনে ধারণ করেন এবং অশালীন মন্তব্যের পাশাপাশি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, নেতা, স্থানীয় সাংবাদিকসহ তাঁর পরিচিত মহলে ছড়িয়ে দেন।

চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য চাঁদনী আক্তার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মো. আক্তারুজ্জামান ও তাঁর স্ত্রী রিফাত মনির লিজার বিরুদ্ধে চৌগাছা থানায় মামলা করেন।

এজাহারে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের চৌগাছা উপজেলা কমিটির সদস্য। ২০১৬ সালে তিনি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন এবং ভবিষ্যতেও নির্বাচন করবেন। ওই দম্পতি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কাজ করেছেন। ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার পর তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ ও ভয়েস মেসেজের মাধ্যমে তাঁর কাছে ১৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন ও হুমকি-ধমকি দেন।

চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে ভিডিও ধারণ ও অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে ছড়িয়ে দেওয়া এবং চাঁদা দাবির অভিযোগে মো. আক্তারুজ্জামান ও তাঁর স্ত্রী রিফাত মনির লিজার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ দণ্ডবিধির ৩৮৫ ও ৫০৬ ধারায় মামলা হয়েছে। সে মামলায় আজ তাঁদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন