বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, আবির ছাত্রলীগ করে বলে তাঁদের কাছে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ আসছিল। যথাযথ তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে এখন তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আবির মোহাম্মদ দাবি করেন, তিনি ২০১০ সালের কসবার পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটির সদস্য, ২০১৬ সালের কসবা টি আলী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমিটির ১ নম্বর সহসভাপতি ও ২০১৮ সালের উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটির ১ নম্বর সদস্য ছিলেন।

আবির মোহাম্মদ অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল এমন করছে। প্রায় ১১ বছর ছাত্রলীগের বিভিন্ন কমিটিতে আছি। আমাকে হুট করে ছাত্রদল থেকে বহিষ্কারের ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সরকারি দলের সব ধরনের কার্যক্রমে আমি ভূমিকা রাখছি। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এটা জানেন। ছাত্রলীগ দিয়েই আমার রাজনীতি শুরু। বিএনপির কর্মকাণ্ডে কখনোই আমি ছিলাম না।’

কসবা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক জানান, আবির হোসেন ২০১০ সাল থেকে ছাত্রলীগের পদধারী। সামনে আবির আরও ভালো অবস্থানে যাবেন। এ জন্য আবিরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে একটি মহল তাঁর পেছনে লেগেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন বলেন, পদ পাওয়া কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ দেখাতে পারলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা গেছে, গত ৩১ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের স্বাক্ষরিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের ৩৪৯ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন