বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছাত্র ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত ১২টার দিকে মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ১০–১২ জন নেতার একটি দল মির্জা আজম হলে ঢোকে। পরে তাঁরা সাধারণ ছাত্রদের মারধর করে ওই হলের ৩১৫ নম্বরের কক্ষটি দখলে নেন। এ সময় সাধারণ ছাত্ররা বিষয়টির প্রতিবাদ করলে তাঁদের মারধর করা হয়। এ সময় দুই ছাত্র আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ছাত্র অভিযোগ করেন, কলেজের ছাত্রলীগ নেতাদের কর্মকাণ্ডে তাঁরা অতিষ্ঠ। বিভিন্ন সময় তাঁদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় চতুর্থ বর্ষের ছাত্রদের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাদের একটি বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জের ধরেই গতকাল রাতে এ ঘটনা ঘটেছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. হাবিবুল্লাহ হাবীব প্রথম আলোকে বলেন, এটি ছাত্রলীগের কোনো ঘটনা নয়। কক্ষটি দীর্ঘদিন ধরে চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্র দখল করে ছিলেন। কলেজে কয়েকজন নতুন শিক্ষার্থী আসায় কর্তৃপক্ষ ওই ছাত্রকে কক্ষটি ছেড়ে দিতে বলেছিল। ওই ছাত্র কক্ষটি ছেড়েও দিয়েছেন। পরে ওই কক্ষে নতুন চারজন ছাত্র উঠেছেন। গতকাল ওই ছাত্র আবার এসে কক্ষের লাইট খুলে নেন এবং নতুন ছাত্রদের বের হয়ে যেতে বলেন। পরে ওই চার ছাত্র তাঁদের সিনিয়রদের বিষয়টি জানালে তাঁরা এসে বিষয়টি সমাধান করে দেন।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রেজাউল ইসলাম খান জানান, গতকাল রাতে মারামারির খবর পাওয়ার পর সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন