বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ অবস্থায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শেখ মো. হাফিজ উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক রুবেল চৌধুরী এক বিজ্ঞপ্তিতে দপ্তর সম্পাদক সাইফুলকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাইফুল ইসলাম গঠনতন্ত্র না মেনে নিয়মবহির্ভূতভাবে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ ও বিবৃতি প্রদান করছেন। গত বুধবার সংগঠনের প্যাডে জনৈক আবির মো. সোহাগকে ছাত্রলীগের রাজনীতি জড়িত অভিযোগে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেন সাইফুল। সাইফুলের এমন হঠকারী দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডে সিদ্ধান্ত সংগঠন চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই তাঁকে দপ্তর সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রদলকে সুপারিশ করা হয়েছে।

ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী বলেন, ছাত্রলীগ নেতাদের চাপে পড়েই জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এই ঘোষণা দিয়েছেন।

জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রুবেল চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, যাকে সাইফুল ছাত্রদল বলে উল্লেখ করেছেন, সে আসলে ছাত্রদলের কোনো পদে কখনোই ছিল না। ছাত্রলীগ নেতাদের চাপের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে চাপের কোনো বিষয় নেই। সাইফুল সঠিক কাজ করেননি।

আবির মোহাম্মদ দাবি করেন, তিনি ২০১০ সাল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করতে একটি মহল এমন করছে।

গত ৩১ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের স্বাক্ষরিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের ৩৪৯ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন