এর পর থেকেই ফখরুল তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু করেন। বিষয়টি তিনি পরিবারকে জানান এবং ফখরুলের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। ফখরুল প্রেমের সম্পর্ক থাকাকালে কৌশলে নিজ মুঠোফোনে ওই ছাত্রীর কিছু ছবি তুলেছিলেন। এ ছাড়া হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলার সময় আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে রেখেছিলেন। পরে গত ৭ এপ্রিল ফখরুল সেই সব ছবি ও ভিডিও ওই ছাত্রীর স্বজনদের কাছে পাঠান। এ সময় তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক না রাখলে ওই তরুণীর ছবি ও ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেন ফখরুল।

মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ১৪ এপ্রিল ভুক্তভোগী মাদ্রাসাছাত্রীর বড় ভাই ফখরুলের বিরুদ্ধে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন। এরপর অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে সোমবার বেলা দেড়টার দিকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার কাকুড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ফখরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর মুঠোফোনে ওই ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও পাওয়া যায়।

কাশিয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মাসুদ পারভেজ বলেন, অভিযুক্ত ফখরুলকে আজ (মঙ্গলবার) সকালে রাজশাহীতে এনে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁর মুঠোফোনটি জব্দ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন