বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চিত্তরঞ্জন পাল বলেন, আজ রোববার সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে শহরের আমলাপাড়া এলাকায় উত্ত্যক্তকারী ওই চালককে দেখতে পায় ছাত্রীটি। এরপর পরিবার ও স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতা নিয়ে সে তাঁকে ধরে স্কুলে নিয়ে আসে। পরে বিষয়টি প্রশাসনকে জানালে তারা চালককে দণ্ড দেয়।
ইজিবাইকচালক আবদুল কাদেরের বাড়ি বাগেরহাট সদর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামে। উত্ত্যক্তের দায়ে কাদেরকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আজ দুপুরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কাদেরকে দণ্ড দেন। তিনি বলেন, ইজিবাইকচালক আবদুল কাদের সবার উপস্থিতিতে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ স্বীকার করে নেন। এ কারণে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দুপুরে তাঁকে পুলিশের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রধান শিক্ষক চিত্তরঞ্জন পাল বলেন, এ ঘটনার পর ভবিষ্যতে এখানকার রাস্তায় দাঁড়িয়ে আর কোনো মেয়েকে কেউ উত্ত্যক্ত করার সাহস করবে না। অন্যায়কে এভাবেই রুখে দিতে হয়। মেয়েটির সাহসী এই পদক্ষেপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
বাগেরহাট অভিভাবক ফোরামের সভাপতি আহাদ উদ্দিন হায়দার বলেন, মেয়েটি যে সাহসী ভূমিকা রেখেছে, তা উত্ত্যক্তকারীদের জন্য সতর্কসংকেত। স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে মেয়েদের কেউ বিরক্ত করলে তারা যেন সঙ্গে সঙ্গে অভিভাবক বা স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানায়। তাহলে কেউ আর উত্ত্যক্ত করার সাহস দেখাবে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন