default-image

শরীয়তপুর সদর উপজেলার একটি গ্রামে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সদরের পালং মডেল থানায় আজ বুধবার দুপুরে মামলা করেছেন ছাত্রীর বাবা। মামলায় আএক তরুণকে (২৫) আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্ত তরুণ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। আজ সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মামলার এজাহার ও পালং মডেল থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযুক্ত তরুণের সঙ্গে এক বছর আগে ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন তিনি। গত নভেম্বর মাসে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তার গর্ভপাত করানো হয়। এরপর তাকে পুনরায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৪ মার্চ ধর্ষণ করেন তিনি।

এই পর্যায়ে সব ঘটনা ওই ছাত্রী তার পরিবারকে জানিয়ে দেয়। ঘটনা জানার পর ছাত্রীর বাবা আজ দুপুরে পালং মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পুলিশ ওই অভিযোগ আমলে নিয়ে ওই তরুণকে আটক করে। পরে প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়ে লিখিত অভিযোগটি মামলায় রূপান্তরিত করা হয়। তাতে গ্রেপ্তার দেখানো হয় ওই তরুণকে।

বিজ্ঞাপন

মেয়েটির বাবা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। মেয়েকে বিয়ে করার কথা বলে ওই তরুণ তার সঙ্গে মেলামেশা করেছে। এসব বিষয়ে আমরা কিছুই জানতাম না। ১৪ তারিখে তাকে পুনরায় ধর্ষণ করলে সে আমাদের জানায়। তাই বিচার পেতে আইনের দ্বারস্থ হয়েছি।’

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন