বিজ্ঞাপন
default-image
অনেককেই গৃহ নির্মাণে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এখনো যাঁরা ঘর নির্মাণ করতে পারেননি, তাঁদেরও সহায়তার আওতায় আনা হবে
কাজী আবু তাহের, জেলা প্রশাসক, শরীয়তপুর

জাজিরার পালেরচর ইউনিয়নের মোল্যাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা বাচ্চু মৃধার ২ বিঘা কৃষি জমি এবং ১৩ শতক জমির ওপর বসতঘর ছিল। কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। গত ২৩ জুলাই তাঁর কৃষিজমি ও বসতবাড়ি পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। কোথায় জায়গা না পেয়ে পাইনপারা বিদ্যুৎ প্রকল্পের মাঠে ছাপরাঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেছেন। বাচ্চু মৃধা বলেন, ‘পদ্মা আমাগো সব কাইরা পথের ফকির বানাইছে। কেউ আশ্রয় না দেওয়ায় বিদ্যুৎ প্রকল্পর মাঠে ছাপরাঘর বানাইয়া থাকতাছি। কৃষিকাজ কইরা সংসার চালাইতাম, এহন হেই জমি পদ্মায়।’

শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, অনেককেই গৃহ নির্মাণে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এখনো যাঁরা ঘর নির্মাণ করতে পারেননি, তাঁদেরও সহায়তার আওতায় আনা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন