বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বোয়ালমারীর গোবিন্দপুর গ্রামের এফ এম এ মুছা একই উপজেলার ভীমপুর উচ্চবিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক। বছরখানেক আগে তিনি তাঁর চাচাতো শ্যালক রাজবাড়ীর উদয়পুর গ্রামের বাসিন্দা অনিক ইসলামের (৩০) কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ধার নেন। এরপর তিনি সেই টাকা পরিশোধও করে দেন। টাকা লেনদেনসংক্রান্ত বিষয়ে উভয়ের মধ্যে একটা সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে অনিক তাঁর দুলাভাই মুছার কাছে ভেকু ক্রয়ের কথা বলে পাঁচ লাখ টাকা ধার চান।

গত মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ছয়টার দিকে মধুখালী উপজেলা পরিষদের মূল প্রবেশপথের ১০০ গজ পূর্বে বনমালিদিয়া নামক স্থান থেকে মুছা তাঁর শ্যালক অনিককে পাঁচ লাখ টাকা দেন। ঠিক ওই সময় একটি ডিসকভার মোটরসাইকেলের দুই আরোহী অনিকের হাত থেকে টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে মুছা মধুখালী থানায় এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করেন।

সহকারী পুলিশ সুপার মধুখালী সার্কেল সুমন কর জানান, তদন্ত শেষে পুলিশ নিশ্চিত হয় ছিনতাইয়ের বিষয়টি প্রকৃতপক্ষে অনিকের সাজানো একটি নাটক। জিজ্ঞাসাবাদে অনিক স্বীকার করেন তিনি আর্থিক সংকটের কারণে এ ছিনতাই নাটক সাজিয়েছেন। পরে অনিকের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী টাকা ছিনতাই নাটকের সঙ্গে জড়িত রাজবাড়ী সদর উপজেলার উদয়পুর গ্রামের জাকির হোসেনকে (২৫) তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়ে। অপর সহযোগী একই জেলার সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মাসুদ মোল্লার (৩৭) বাড়ি থেকে ছিনতাই নাটকে অংশ নেওয়া ডিসকভার মোটরসাইকেল এবং ছিনতাইকৃত পাঁচ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে স্কুলশিক্ষক এফ এম এ মুছা বাদী হয়ে থানায় গত বুধবার রাতে ছিনতাইয়ের অভিযোগে শ্যালক অনিক, জাকির ও মাসুদকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবদুল হাকিম বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া অনিক ও জাকিরকে বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের ৫ নম্বর আমলি আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন