বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল শনিবার দেখা যায়, আড়াই শতক জায়গায় ছকিনার বাড়ি। টিনশেডের ছোট এক ঘরে তাঁদের বসবাস। ভেতরে চৌকি ছাড়া কোনো আসবাব নেই।

ছকিনা বলেন, ছেলের পেছনে মাসিক দুই হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এক বছর আগে মেয়ে শিলার স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। আট বছরের ছেলে সিহাবকে নিয়ে শিলা মায়ের সংসারে ঠাঁই নেন। অন্যের বাড়িতে কাজ করে যে সম্মানী পান, তা দিয়ে সংসার চলে না। আর ছেলের পেছনে মাসিক দুই হাজার টাকা খরচ হচ্ছে।

ছকিনা বললেন, ‘বাজারোত জিনিসপাতির দাম বাড়ি গেচে। সোংসারই চলব্যার পাচ্চিনে। কত দিন থাকি ছোলগুলেক মাচ গোস্ত খিলব্যার পাইনে। তাক হামার মনে নাই। ইদোত ছোলগুলেক নয়া কাপড়া দিব্যার পাই নাই। ঈদের দিন মানসে একন্যা সেমাই গোস্তর তরকারি দিচোলো, তাক দিয়া ঈদ পার করচি। পেটোত পাতর বান্দি চলব্যার নাগচি। শুদু ব্যাটাক নেকাপড়া করেয়া মানুষ করব্যার জন্যে। ব্যাটা চাকরি করি ওবাব দূর করবে, সেই আসাত মানসের বাড়িত কাম করব্যার নাগচি।’

সাকিব মিয়া বলেন, ‘মা কষ্ট করে আমাকে পড়াচ্ছেন। ভালোভাবে লেখাপড়া করছি। মায়ের ঋণ কখনো শোধ করা যাবে না। তবু আশা, চাকরি করে মায়ের মুখে হাসি ফোটাব। আমার মায়ের মতো মা হয় না।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন