বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রামবাসী তাঁদের উদ্ধার করে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। শনিবার তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

জানতে চাইলে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মুনীর আহমেদ খান প্রথম আলোকে বলেন, সার্জারি ওয়ার্ডে ওই দম্পতির চিকিৎসা চলছে। ভারী ও শক্ত কোনো কিছুর আঘাতে তাঁদের পায়ে ফ্যাকসার (ভেঙে গেছে) হয়েছে। প্লাস্টার করা হয়েছে, সেরে উঠতে কয়েক দিন সময় লাগবে।

default-image

আব্বাস ও ফুলমতি দম্পতির মেয়ে সাবিনা আক্তার বলেন, ‘তিন বছর ধরে ভাই আমাদের জ্বালাতন করেন। তাঁর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন ভাবি ও আমাদের এক চাচাতো চাচা। তাঁরা আমাদের সব সম্পত্তি গ্রাস করতে মা-বাবাকে মারধর করেন। বাবা-মায়ের পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এখন আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে আমি থানায় অভিযোগ করেছি।’

শরীফের ভয়ে তাঁর অন্য ভাই-বোনেরা থানায় যেতে সাহস পাচ্ছিলেন না। গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তায় মঙ্গলবার সকালে জাজিরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন সাবিনা। খবর পেয়ে শরীফ, তাঁর স্ত্রী মুন্নি, চাচাতো চাচা মজিদ মাল গ্রাম ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন।

সদর হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে একাব্বর মাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘নিজের সন্তান বাবা-মাকে মারধর করতে পারে? এভাবে মেরে পা ভেঙে দেবে ভাবতে পারিনি। আমার চাচাতো ভাই মজিদ মাল কারসাজি করে আমাদের জমি নিজের নামে রেকর্ড করে নিয়েছে। এখন আমার ছেলেকে হাত করে বাকি সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার যড়যন্ত্র করছে। এ বিচার আমি কার কাছে চাইব?’

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘বাবা-মাকে মারধর করার একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমরা ব্যবস্থা নেব। অভিযুক্তদের ধরতে ওই গ্রামে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল কিন্তু তাঁরা পালিয়েছেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন