default-image

নোয়াখালীর ছোট ফেনী নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ তিন পর্যটকের বাকি দুজনের লাশও উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে ও দুপুরে দুই পর্যটকের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে গতকাল শনিবার বিকেলে এক পর্যটকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।

গতকাল সকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ছোট ফেনী নদীতে মাছ ধরতে নেমে ওই তিন পর্যটক নিখোঁজ হন।

বিজ্ঞাপন

তিন পর্যটকের লাশ উদ্ধারের তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের নোয়াখালী কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) নিউটন দাশ।

নিউটন দাশ প্রথম আলোকে জানান, আজ সকাল সাতটার দিকে নিখোঁজ ওমানপ্রবাসী আনোয়ার হোসেনের (৩৫) লাশ ভেসে উঠলে উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে দুপুর ১২টার দিকে ব্যবসায়ী মেহেদি হাসানের (২০) লাশও নদীতে ভেসে ওঠে। স্থানীয় লোকজন ওই লাশও উদ্ধার করেন। এর আগে গতকাল বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নজরুল ইসলাম নামের এক পর্যটকের লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া ওই তিন পর্যটক ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের দেবরামপুর গ্রামের বাসিন্দা। আজ উদ্ধার হওয়া দুজনের লাশ স্বজনেরা গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান। এ সময় নদীর তীরে হৃদয়বিদারক এক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

গতকাল সকালে ২৬ জন পর্যটক মুছাপুর ক্লোজারে ঘুরতে আসেন। সকাল ১০টার দিকে তাঁদের মধ্যে সাতজন ছোট ফেনী নদীতে জাল দিয়ে মাছ ধরতে নামেন। একপর্যায়ে প্রবল বেগে জোয়ার এলে জোয়ারের পানিতে সাতজনই ডুবে যান। এ সময় চারজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও তিনজন নিখোঁজ থাকেন।

বিজ্ঞাপন

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউল হক মীর প্রথম আলোকে বলেন, মুছাপুর ক্লোজারে ঘুরতে যাওয়া একদল পর্যটকের মধ্যে তিনজন নদীতে মাছ ধরতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার পর প্রথমে স্থানীয় লোকজন ও পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযানে নামেন। বিকেলে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেয় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। তারা গতকাল বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নজরুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে। এ ছাড়া বাকি দুজনের লাশ আজ সকালে ও দুপুরে উদ্ধার করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন