বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছয় দফা দাবি হলো প্রস্তাবিত প্রায় ৪৫ কোটি টাকার ‘ভবদহ ও তৎসংলগ্ন বিল এলাকার জলাবদ্ধতা দূরীকরণ’ সেচ প্রকল্প বাতিল, ক্রাস প্রোগ্রামে মাঘী পূর্ণিমার আগেই বিল কপালিয়া টিআরএম (টাইডল রিভার ম্যানেজমেন্ট বা জোয়ারাধার) চালু, ভবদহ স্লুইচ গেটের ভাটিতে ৫-৬টি এক্সকাভেটর দিয়ে পাইলট চ্যানেল খনন ও ২১, ৯, ৬ ভেন্টের গেটগুলো ওঠানামার ব্যবস্থা করা, জনপদের ফসল, বাড়িঘরসহ অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ, কৃষিঋণ মওকুফ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আমডাঙ্গা খাল সংস্কারকাজে প্রি-ওয়ার্ক ও পোস্ট ওয়ার্ক জনসমক্ষে টাঙিয়ে দেওয়া ও কাজের স্বচ্ছতা নিরূপণে আন্দোলনকারী সংগঠন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে তদারকি কমিটি গঠন করা এবং সরকারকে মিথ্যা তথ্য প্রদান, নদী হত্যা, জনপদের অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশা, ফসল, বসতবাড়ি, জানমালের ক্ষয়ক্ষতির সঙ্গে জড়িত পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।

ছয় দফা দাবিতে গত রোববার দুপুর থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনির্দিষ্টকালের জন্য লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন জলাবদ্ধ ভবদহ অঞ্চলের মানুষ। আজ পঞ্চম দিনের কর্মসূচি শুরু হয় দুপুর ১২টায়। চলে বেলা দুইটা পর্যন্ত। তবে সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও করোনার বিধিনিষেধের কারণে পঞ্চম দিনে এসে তা সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আজ সীমিতসংখ্যক মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। বেলা দুইটায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগ্রাম কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির। কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৪ জানুয়ারি রাজধানীতে পাউবোর মহাপরিচালকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এরপরও সমস্যার সমাধান না হলে যশোরে মহাসড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

অবস্থান কর্মসূচি চলার সময় ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক রনজিত বাওয়ালী বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে আমাদের দাবি জানিয়েছি। এবার আমরা ঢাকায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করব। তাতেও যদি দায়িত্বশীলদের আচরণে পরিবর্তন না হয়, তাহলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলনে যাব। জীবন বাঁচাতে প্রয়োজনে আমরা মহাসড়ক অবরোধ করব।’

পঞ্চম দিনের কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী আবদুল হামিদ, সংগ্রাম কমিটির নেতা অনিল বিশ্বাস, আবদুল আজিজ, নিছার আলী গাজী, নাজিম উদ্দিন, জিল্লুর রহমান ভিটু, হাবিবুর রহমান মোহন, পলাশ বিশ্বাস প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন