বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবদুস ছাত্তার বলেন, অস্বাভাবিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বাচ্চা প্রসবের সময় জটিলতা দেখা দেওয়ায় তাঁর গাভিটি কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ জন্য ওই সময় স্থানীয় এক পশু চিকিৎসকের সাহায্য নেওয়া হয়। অনেকক্ষণ পর বকনার জন্ম হয়। সুস্থতার জন্য গাভিটির চিকিৎসা চলছে। সদ্যোজাত বকনাটি সুস্থ রয়েছে।

আবদুস ছাত্তার আরও বলেন, ছয় পা ও দুই জরায়ু নিয়ে জন্ম নেওয়া বাছুরটির খবর এলাকায় চাউর হলে এটিকে দেখার জন্য আশপাশের গ্রাম থেকে দলে দলে লোকজন তাঁর বাড়িতে আসছেন। কেউ কেউ ছবিও তুলছেন বকনার।

গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা মো. সোলেমান মিয়া বলেন, তাঁদের ৭০ বছরের জীবনে এমন অস্বাভাবিক বাছুর জন্ম নিতে দেখেননি। এটি ওপরওয়ালার লীলা। সবার উচিত বাছুরটি ও এর মাকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. তানভীর আনজুম বলেন, এ ধরনের বাছুর জন্ম নেওয়ার ঘটনাটি নতুন কিছু নয়। এর আগেও এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে। এটি প্রকৃতির অনিবার্য নিয়ম। যথাযথভাবে মায়ের দুধ পেলে বাছুরটিকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন