বিজ্ঞাপন

বিষয়টি সহ্য করতে পারতেন না ছোট ভাই রবিউল ইসলাম। কিছুদিন আগে এসব বিষয় নিয়ে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী ও তিন মাসের মেয়েসন্তানকে নিয়ে রবিউল শ্বশুরবাড়ি চলে যান। গত মঙ্গলবার তিনি একা বাড়ি ফিরে এসে রাতের খাবার খেয়ে ভাতিজি সানজিদার শয়নকক্ষের পাশে ঘুমান। রাত চারটার দিকে সানজিদার কক্ষে ঢুকে তাকে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যা করে মুখে একটি বালিশ রেখে পালিয়ে যান।

র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল জানান, ভাইয়ের মেয়ে সানজিদাকে হত্যা না করলে তাঁর নিজের মেয়ে লন্ডনপ্রবাসী ভাইয়ের স্নেহমমতা থেকে বঞ্চিত হবে, এই চিন্তা থেকে তাকে হত্যা করেন তিনি।

র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল আরও জানান, লন্ডনপ্রবাসী ভাই লুৎফুর রহমান তাঁর ভাইয়ের মেয়ে সানজিদাকে খুব স্নেহমমতা করতেন। তাকে হত্যা না করলে তাঁর নিজের মেয়ে লন্ডনপ্রবাসী ভাইয়ের স্নেহমমতা থেকে বঞ্চিত হবে, এই চিন্তা থেকে তাকে হত্যা করেন তিনি।

যদিও লাশ উদ্ধারের পর ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করেছিল পুলিশ ও পরিবার। জগন্নাথপুর থানার ওসি তদন্ত মুসলেহ উদ্দিন বলেন, মাদ্রাসাছাত্রী কিশোরীকে হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই আম্মাদ আহমেদ (২৫) বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার চাচা রবিউল ইসলাম ও চাচি সুহি আক্তারকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। মামলার অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন