বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রৌয়াইল গ্রামের বাসিন্দা রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য নাজমুল হোসেন বলেন, ‘ভাঙন রোধে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানিয়েছি।’

আলমপুর গ্রামের বাসিন্দা দিদার আহমেদ বলেন, অন্তত ১৫ গ্রামের মানুষের উপজেলা সদরে যাতায়াতের একমাত্র সড়ক এটি। দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সড়কটি এলজিইডি পাকাকরণের উদ্যোগ নিলে এলাকাবাসীর মধ্যে দুর্ভোগ লাঘবের আশার সঞ্চার হয়। কিন্তু কাজের শুরুতে সড়কটি নদীভাঙনের কবলে পড়ায় আবারও হতাশা দেখা দিয়েছে।

রানীগঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কের ভাঙনকবলিত অংশে ভাঙন রোধে একটি প্রকল্প গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অনুরোধ করেছি।’

এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা কার্যালয়ের প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার বলেন, ‘সড়কে আমাদের কাজ চলমান। ভাঙনকবলিত অংশ বাদে সড়কের অপর অংশের কাজ আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। নদীভাঙনের বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া জন্য উপজেলা পরিষদ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) জানানো হয়েছে।’

জগন্নাথপুরের ইউএনও পদ্মাসন সিংহ বলেন, সড়কের ভাঙন অংশ পরিদর্শন করে দ্রুত উদ্যোগ নিতে পাউবোকে বলা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন