প্রধান শিক্ষক আবদুস সামাদ বলেন, এলাকার প্রবাসীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আশ্রয়কেন্দ্রের বন্যার্ত মানুষকে তিনবেলা খাবার বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রবাসীরা তাঁদের স্বজনদের মাধ্যমে টাকা পাঠাচ্ছেন। ওই টাকা দিয়ে রান্নার আয়োজন করা হচ্ছে। পালা করে প্রতিদিন দুজন করে প্রবাসী অর্থ সহায়তা করছেন।

আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহ ধরে নিয়মিত এ কার্যক্রম চলছে। খাবারের তালিকায় মাছ, মাংস ডাল, ডিমসহ পুষ্টিকর বিভিন্ন খাবার আছে। গতকাল বন্যার্ত মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য ছিল গরুর মাংস ও হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য ছিল হাঁসের মাংস। খাবার রান্নার পর ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বন্যার্তদের মধ্যে খাবার পরিবেশন করছেন।

রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছদরুল ইসলাম বলেন, ‘রানীগঞ্জ ইউনিয়নের প্রবাসীদের অর্থায়নে আশ্রয়কেন্দ্রে খাবার আয়োজন একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমি এলাকার প্রবাসীদের কৃতজ্ঞতা জানাই।’

রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তাদীর আহমেদ বলেন, জগন্নাথপুর উপজেলার প্রবাসীরা ব্যাপক ত্রাণ তৎপরতা চালাচ্ছেন। এভাবে এলাকাভিত্তিক মানবিক উদ্যোগ নিলে সংকট থেকে উত্তরণ সহজ হবে। দুটি আশ্রয়কেন্দ্রের মডেল অনুসরণ করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন