বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে ইউএনও সাজেদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, কৃষকদের অভিযোগ তদন্ত করে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

গন্ধবপুর গ্রামের আলাউদ্দিন তাঁদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মাছ ধরার জন্য যতটুকু পানি শুকাতে হয়, ততটুকু শুকিয়ে মাছ ধরা হবে।

গন্ধবপুর গ্রামের কৃষক জাহির মিয়া জানান, বড় ডহর বিলের পানি ব্যবহার করে কয়েক হাজার একর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়। বিল ইজারাদাররা মাছ ধরার জন্য শুকানোর উদ্যোগ নেওয়ায় কৃষকদের মধ্যে বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফিরোজ মিয়া নামের প্রবীণ এক কৃষক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা প্রতিবছর বড় ডহর বিলের পানি ব্যবহার করে বোরো আবাদ করি। এবার মাছ ধরার জন্য কয়েকজন পুরোপুরি শুকিয়ে ফেলতে চাইছেন। এতে বোরো ধান নষ্ট হয়ে যেতে পারে।’

হাওর বাঁচাও আন্দোলনের জগন্নাথপুর উপজেলার আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বিল শুকিয়ে মাছ ধরার কোনো নিয়ম নেই। কৃষিকাজের জন্য পানি রেখে মাছ ধরতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন