বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চিকিৎসকেরা বলেন, পর্যাপ্ত চিকিৎসক, গাইনি ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ পেলে হাসপাতালের অস্ত্রোপচার কক্ষ (ওটি) চালু করা সম্ভব হতো। তাহলে সিজার বা ছোটখাটো অপারেশন করা যেত। ওটির যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার না করার ফলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। টেকনিশিয়ান–সংকটের কারণে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বাক্সবন্দী রয়েছে, যার ফলে পরীক্ষার জন্য সাধারণ মানুষকে জেলা শহরে যেতে হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ওয়াজিদ মিয়া বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ানের সংকট আছে। এ কারণে অনেক রোগীকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ছোটখাটো পরীক্ষা করার জন্যও বেসরকারি ক্লিনিকে যাওয়া লাগে। প্রসূতিরা এখানে ডাক্তার দেখাতে পারে। কিন্তু অস্ত্রোপচারের জন্য আবার জেলা শহরেই যেতে হয়। এতে উপজেলার মানুষের অনেক টাকা আর সময় ব্যয় হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় হাসপাতাল উন্নীত করা হয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল এখনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি। কয়েক দিন আগে নতুন করে ১৫ জন নার্স নিয়োগ করা হয়েছে। হাসপাতালের সবাই আন্তরিক থাকায় জনবলের সংকট নিয়েও রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’

সিভিল সার্জন চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ বলেন, দুই-এক মাসের মধ্যে টেকনিশিয়ান নিয়োগ করা হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে বলেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন