ইউপি সদস্য রেজাউল করিম বলেন, তিন-চার মাস আগে গফুরের শ্যালক জাফর আহমদের সঙ্গে একই এলাকার সখিনা বেগমের ঘরের সীমানা নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। সালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সেটি না মেনে সখিনা বেগম পুলিশের কাছে অভিযোগ দেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে দুই পক্ষের নারীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির জের ধরে বিবাদ সৃষ্টি হলে এক পক্ষ অপর পক্ষকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় একটি ইটের টুকরা এসে আবদুল গফুরের বুকে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে শাহপরীর দ্বীপ-টেকনাফ সড়কের ভরাখাল নামক এলাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইফফাত কামাল বলেন, রাত আটটার দিকে একজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তবে হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তির মাথা ও শরীরে কোথাও কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

নিহতের শ্যালক জাফর আহমদ বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে আগে থেকে ঘরের সীমানা নিয়ে বিরোধ ছিল। নারীদের ঝগড়ার পর এক বৃদ্ধ মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন