বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুরোনো ভবনের দোতলার পূর্ব দিকে শিশু ওয়ার্ডটি একেবারেই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এই ওয়ার্ড জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় কর্তৃপক্ষ এটি ব্যবহার না করার জন্য পরামর্শ দিয়েছে বলে জানালেন এক নার্স। কিন্তু তারপরও দুজন নারী রোগী সেখানে অবস্থান করছেন। তাঁদের মধ্যে একজন রাহিমা বেগম (২৫)। বাড়ি উপজেলার পানপট্টি গ্রামে। রাহিমার স্বামী শহীদ সর্দার জানান, গ্রামের তাঁর স্ত্রীর স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে। তবে রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় দ্রুত নবজাতকসহ তাঁর স্ত্রীকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। শয্যা না থাকায় তাঁরা এই ভবনে খালি শয্যা পেয়ে এসেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন নার্স জানান, শুধু রোগীদের মাথার ওপর ছাদে ও বিমে ফাটলই নয়, তাদের বসার কক্ষেরও একই অবস্থা। এ জন্য তাদেরও থাকতে হয় আতঙ্কে।

গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, ২০১৭ সাল থেকে এই পুরোনো ভবনের ছাদ ও বিম থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে। এ অবস্থায় ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাসভবনও জরাজীর্ণ। এসব বিষয়ে পটুয়াখালী স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে একাধিকবার চিঠি পাঠানোর পর ২০১৮ সালের প্রথম দিকে পুরোনো ভবনটি মেরামত করা হয়। কিন্তু সেই মেরামত টেকসই হয়নি। পরে আবারও ভবনট ছাদ ও বিম থেকে পলেস্তারা খসে পড়া শুরু হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালের পুরোনো ভবনের ছাদ ও বিমের পলেস্তারা খসে খসে পড়ছে। শুধু রোগী ও তাদের স্বজনেরাই নয়, চিকিৎসকদেরও এখানে আতঙ্কে থাকতে হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন