বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত সোমবার সাফারি কিংডমের ভেতর জলহস্তী থাকার বিশাল লেকের পাড়ে গিয়ে দেখা যায়, পানিতে মায়ের সঙ্গে অবস্থান করছে সদ্যোজাত শাবকটি। খাবার দেওয়া হলে মা শাবকটিকে নিরাপদে রেখে এসে খাবার খেয়ে আবার পানিতে নেমে যাচ্ছে। এদিকে সদ্যোজাত শাবকের কথা চিন্তা করে জলহস্তীগুলোর খাবারের পরিমাণ বাড়িয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। খাবারে যোগ করা হয়েছে নতুন উপাদান।

পার্কের বন্য প্রাণী পরিদর্শক মো. আনিসুর রহমান বলেন, জলহস্তীর গর্ভধারণকাল ১০ মাস। এগুলো ২০ থেকে ২৫ বছর প্রকৃতিতে বাঁচে। সংরক্ষিত জায়গায় আরও বেশি দিন বাঁচার নজির আছে। এগুলো একসঙ্গে একটি বাচ্চার জন্ম দেয়। জলহস্তী তৃণভোজী। একবার ডুব দিয়ে পানির নিচে এগুলো পাঁচ মিনিটের বেশি থাকতে পারে। এগুলোর বসতি মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন বনাঞ্চলে। পার্ক প্রতিষ্ঠাকালে দুটি জলহস্তী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে কিনে আনা হয়েছিল। তিনি বলেন, জলহস্তীর বসতি দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন জঙ্গলে। এগুলোর ধারালো দাঁত থাকে। এগুলো তৃণভোজী।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তবিবুর রহমান বলেন, ‘বাচ্চা মেরে ফেলার প্রবণতা আছে পুরুষ জলহস্তীর। তাই আমরা কিছুটা চিন্তিত। শাবকটির বয়স প্রায় এক মাস হয়েছে। মা সার্বক্ষণিক নজরদারি করে শাবকটিকে আগলে রাখছে এখনো। এটি টিকে থাকবে বলে আশা করছি। কারণ, শাবকটিকে রক্ষার জন্য মা সব সময় সজাগ থাকছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন