বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সনাক বাগেরহাটের সভাপতি অধ্যাপক চৌধুরী আবদুর রবের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন স্বজন সমন্বয়ক এফ এম মোস্তাফিজুল হক, স্বজন সদস্য খান সালেহ আহমেদ, মো. মনজুরুল ইসলাম, মহিলা পরিষদ বাগেরহাট জেলা শাখার প্রোগ্রাম অফিসার মাহবুবা রহমান, ইয়েস দলনেতা শেখ সৈকত আলী, সদস্য হুমায়রা খাতুন প্রমুখ।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন, ‘নিজেদের স্বার্থে সুন্দরবনবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে হবে। আমরা উন্নয়নের বিপক্ষে নই। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের পাশে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র কাঙ্ক্ষিত ছিল না। আমরা আর কোনো কয়লাভিত্তিক প্রকল্প চাই না। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশসহ যেসব দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ অনুদান হিসেবে দিতে হবে। জলবায়ু অর্থায়নে প্রকল্পসমূহের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

প্যারিস চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, উন্নত বিশ্ব সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ করলেও এর সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের মতো রাষ্ট্রের ওপর। তাই উন্নত বিশ্বকে এর ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

একই সময়ে খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সনাক খুলনার সভাপতি শামীমা সুলতানা। যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে শুরু হতে যাওয়া কপ-২৬/জলবায়ু সম্মেলনকে সামনে রেখে ওই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধন থেকে আট দফা দাবি উপস্থাপন করেন সনাক নেতারা।

এ সময় বক্তারা বলেন, উন্নত দেশগুলোর অধিক কার্বন নিঃসরণের কারণে জলবায়ু পরিবর্তিত হচ্ছে। বেড়ে যাচ্ছে বৈশ্বিক তাপমাত্রা। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো। এর দায় কোনোভাবেই উন্নত দেশগুলো এড়াতে পারে না। তাই উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের জন্য আইনি বাধ্যতামূলক একটি ‘স্বচ্ছতা কাঠামো’ তৈরি করে তাতে সংশ্লিষ্ট সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। বক্তারা ২০৫০ সালের মধ্যে ‘নেট-জিরো’ গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার আহ্বান জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন