আজ এ বিষয়ে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন বিগ্রেডের লেফটেন্যান্ট কর্নেল ও প্রকল্প পরিচালক মো. শাহ আলী বলেন, সেনাবাহিনীর পাশাপাশি চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) আরও একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন খালের মুখে স্লুইসগেট নির্মাণ করা হচ্ছে। এ জন্য পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।

মো. শাহ আলী আরও বলেন, তাঁদের প্রকল্পের আওতায় নগরের বিভিন্ন খালের মধ্যে দেওয়া অস্থায়ী বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে। তাই পানি নিষ্কাশনে সমস্যা থাকার কথা নয়। এখন সিডিএর সঙ্গে আলোচনা করে খালগুলোর মুখে পানি নিষ্কাশনের পথ আরও প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

default-image

নগরের চকবাজারের মুহাম্মদ আলী শাহ দরগাহ লেন এলাকা বুধবার দিবাগত রাত তিনটায় পানিতে তলিয়ে যায়। এই এলাকার রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়িতে হাঁটুপানি জমে রয়েছে। আজ বেলা একটায়ও এই পানি সরেনি। এতে কষ্টে আছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আবদুল হামিদ নামের এক ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রথম আলোকে বলেন, বারবার বৃষ্টি হয়। এরপর ঘরে পানি ঢুকে যায়। এতে ঘরের জিনিসপত্র নষ্ট হয়। নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যাওয়ার সামর্থ্য নেই।

নগরের হালিশহরের কে-ব্লক এলাকায় দেখা যায়, বিভিন্ন সড়কে গোড়ালি থেকে হাঁটু পরিমাণ পানি জমে রয়েছে। একটি ভবনে গাড়ি রাখার জায়গায় পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের অর্ধেক ডুবে ছিল। আরেকটি ভবনের ভেতর ও সামনে পানি জমে থাকায় তা নিষ্কাশনে পাম্প বসাতে হয়।

বৃষ্টি থামার পরেও পানি জমে থাকা এবং জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প পরিচালকের দাবি প্রসঙ্গে সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী রাজীব দাশ প্রথম আলোক বলেন, নির্মাণাধীন জলকপাটগুলোর পাশ দিয়ে পানি নিষ্কাশনের যথেষ্ট পথ রয়েছে। গতবারও এই ধরনের পথ ছিল। তখন পানি জমেনি। একইভাবে এবারও তো পানি জমার কথা না। জলকপাটের নির্মাণকাজের কারণে পানির নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা হওয়ার কথা না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন