বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক প্রকৌশলী বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় নগরের ৩৬টি খাল ও ৩০২ কিলোমিটার নালা সংস্কারের কাজ করছে সিডিএ। কিন্তু নগরে বর্তমানে ৫৭টি খাল ও ৯৫০ কিলোমিটার নালা রয়েছে। অর্থাৎ খাল ও নালার একটি বড় অংশ সিডিএর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের বাইরে রয়ে যাচ্ছে। এ কারণে সিটি করপোরেশন খাল ও বড় নালার খননকাজ বন্ধ রেখেছে। অপর দিকে প্রকল্পের কাজ চললেও প্রতিবছর বর্ষায় নগরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ জন্য নগরবাসী সিটি করপোরেশনকেই দোষারোপ করে আসছে। এ অবস্থায় বর্ষা মৌসুমের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে জলাবদ্ধতা প্রকল্পের বাইরে থাকা খাল ও নালা পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন।

বৃহস্পতিবারের বৈঠকে মেয়র প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন নির্দেশনা দেন। এর মধ্যে রয়েছে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের বাইরে থাকা খাল ও নালার তালিকা দিতে সিডিএকে চিঠি দেওয়া, অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে খননযোগ্য খাল ও নালার তালিকা করা এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।

সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) সুদীপ বসাক প্রথম আলোকে বলেন, ইতিমধ্যে নগরের চারটি ওয়ার্ডে সীমিত পরিসরে খাল ও নালা খননের কাজ শুরু করেছে। তবে কাজের পরিধি আরও বড় পরিসরে করার নির্দেশনা দিয়েছেন মেয়র। নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী বর্ষার আগপর্যন্ত নগরের নালা–নর্দমা ও খাল খননের কাজ চলবে।

উল্লেখ্য, ১১ ডিসেম্বর নগরের পূর্ব ষোলোশহর ওয়ার্ডের বীর্জা খাল খননের মধ্যে ওই খননকাজ শুরু করে সিটি করপোরেশন। এখন নগরের পশ্চিম ষোলোশহর, চান্দগাঁও ও উত্তর হালিশহর ওয়ার্ডে এই কার্যক্রম চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন