বিজ্ঞাপন

বৈঠক সূত্র আরও জানায়, রোহিঙ্গা নেতাদের বক্তব্যের জবাবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি বলেন, সম্মানজনক উপায়ে রোহিঙ্গাদের নিজভূমে (রাখাইন রাজ্যে) প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে জাতিসংঘ কাজ করছে। মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে।

বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে মানবিক আশ্রয় ও সহায়তা দেওয়ায় ভলকান ভজকির বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রশংসা করেন।

রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের সময় ভলকান ভজকিরের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) শাহ রেজওয়ান হায়াত প্রমুখ।

অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. সামছু-দৌজা বলেন, রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি গত ২২ মার্চ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বালুখালী শিবির পরিদর্শনে যান।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমারে নির্যাতনের মুখে অন্তত আট লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এর আগে পালিয়ে আসে আরও কয়েক লাখ। বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা সাড়ে ১১ লাখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন