বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে সিলেটের ৪৮ বিজিবি অধিনায়কের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। ওই নম্বরে খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। পরে জাফলংয়ের বিজিবির প্রতাপপুর ক্যাম্প কমান্ডারের মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে তিনি সিলেট সদর দপ্তরে যোগাযোগ করার কথা বলেন।

ব্যবসায়ী তকবিরের প্রতিবেশী মো. করিম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে বিজিবির টহল দল সংগ্রাম বস্তিতে যায়। এ সময় তকবির হোসেন একটি দোকানে বসে ছিলেন। একপর্যায়ে ভারতীয় চোরাই গরু ধরতে এলাকাবাসীর সঙ্গে বিজিবির সদস্যদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এ সময় তকবির হোসেন ঘটনাস্থলে গেলে বিজিবির সদস্যদের ছোড়া গুলিতে তকবির আহত হন বলে তিনি দাবি করেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

করিম হোসেন দাবি করেন, তকবির গরু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তবে তকবির আগে পাথরের ব্যবসা করতেন। বর্তমানে পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকায় তিনি ওই ব্যবসাও করছেন না। প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্ব থেকে তিনি তকবিরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছেন। আজ বুধবার তকবিরের শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিমল চন্দ্র দেব বলেন, সংগ্রাম বস্তিতে বিজিবির সঙ্গে এলাকাবাসীর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। তবে এ ব্যাপারে ‘অফিশিয়াল (আনুষ্ঠানিক)’ কোনো তথ্য জানেন না তিনি। বিজিবির সদস্যরা গুলি করলে বিজিবিই বিষয়টি জানাবে। এ বিষয়ে এখনো কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন