বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মানববন্ধন চলাকালে মার্কেটিং বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ইমরান শাহরিয়ার বলেন, সারা দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হেনস্তা ও মারধরের শিকার হতে হচ্ছে। তাই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য নিজেদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আনসার সদস্যরা এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে গুরুতর আহত করার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাসায় বসে তামাশা দেখেছে। তাদের উচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের বিরুদ্ধে না গিয়ে ছাত্রবান্ধব হওয়া। অবিলম্বে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

গতকাল সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নূর হোসেন তাঁর দুই ভাগনেকে নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধ দেখতে যান। সেখানকার দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা তাঁকে স্মৃতিসৌধ এলাকায় প্রবেশে বাধা দেন।

নূর হোসেন বলেন, স্মৃতিসৌধে অনেক দর্শনার্থীকে অর্থের বিনিময়ে প্রবেশ করতে দিচ্ছিলেন দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা। তিনি এর প্রতিবাদ করলে একটি কক্ষে নিয়ে বন্দী করে রাখা হয় তাঁকে। পরে সাত-আটজন আনসার সদস্য তাঁকে মারধর করেন।

মারধরের কারণে ঠোঁট, গলা, তলপেট ও মাথায় আঘাত পান বলে অভিযোগ নূর হোসেনের। এ ছাড়া লাঠি দিয়ে পা থেঁতলে দেওয়ারও অভিযোগ তাঁর। নূর হোসেন বর্তমানে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, আহত শিক্ষার্থীর সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্ণ আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।

আনসার সদস্যরা বরখাস্ত
নূর হোসেনকে মারধরের ঘটনায় চার আনসার সদস্যকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করেছে স্মৃতিসৌধ কর্তৃপক্ষ। তাঁরা হলেন মোহর আলী, ওমর ফারুক, রমজান আলী ও যুগল সরকার।

ঢাকা জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের কমান্ড্যান্ট আফজাল হোসেন বলেন, এই চার আনসার সদস্যকে আজীবন বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাঁরা যাতে কোথাও কাজ না করতে পারেন, এ জন্য তাঁদের কালো তালিকায় রাখা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন