default-image

নারায়ণগঞ্জ থেকে জ্বর-সর্দি নিয়ে জামাই দিনাজপুরে শ্বশুরবাড়িতে আসায় সেই বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার কাটলা ইউনিয়নে স্থানীয় ব্যক্তিদের সহযোগিতায় বাড়িটি লকডাউন করে উপজেলা প্রশাসন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাত দুইটার দিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা থেকে জামাই তাঁর শ্বশুরবাড়ি দিনাজপুরে আসেন। আসার দিনে তাঁর শরীরে জ্বর ছিল। পরের দিন সর্দি ও কাশি শুরু হয়। এ ঘটনায় স্ত্রীর বড় ভাই, তাঁর স্ত্রী-সন্তান নিয়ে অন্য জায়গায় চলে যান। বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামবাসী জামাইকে গ্রাম থেকে চলে যেতে বলেন। কিন্তু শ্বশুর গ্রামবাসীর কথা কানে তোলেননি। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানায়। পরে দুপুরে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ওই বাড়িতে হাজির হন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহশিয়া তাবাসসুম। এ সময় করোনা পরীক্ষার জন্য ওই ব্যক্তির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহের পর বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়।

default-image

বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. সোলায়মান মেহেদী বলেন, ওই ব্যক্তির শরীরে করোনার কিছু উপসর্গ থাকায় তাঁর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে সেই নমুনা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ নমুনার চূড়ান্ত রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত ওই বাড়ির সামনে লাল পতাকা টানানো থাকবে। বাইরে থেকে কেউ ভেতরে এবং ভেতর থেকে কেউ বাইরে যেতে পারবে না। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য ও গ্রাম্য পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি নজরদারি করছেন।

ওই ব্যক্তির শ্বশুর বলেন, তাঁর মেয়ের জামাই নারায়ণগঞ্জের একটি টেক্সটাইল কারখানায় কাজ করেন। সোমবার গভীর রাতে জ্বর, সর্দি, কাশি ও গলাব্যথা নিয়ে তাঁর বাড়িতে আসেন। কয়েক দিন আগে জামাইয়ের একটি অপারেশন হয়েছে। ফলে তাঁর শরীর সামান্য খারাপ।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0