default-image

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা সুলতানা পারভীনের (৩৭) মৃত্যুর ঘটনায় এক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তারের পর শাহাদাত হোসেন নামের ওই চিকিৎসককে শনিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

শাহাদাত হোসেন একজন গাইনি চিকিৎসক। তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন। গত শুক্রবার জামালপুর শহরের শহীদ হারুন সড়কের নিজ বাসা থেকে তাঁকে পুলিশ আটক করে।

গত ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি বাসার কক্ষ থেকে দরজা ভেঙে সুলতানা পারভীনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় আগে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছিল। পরে ২৩ আগস্ট চিকিৎসকের পরিবারের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশের কাছে তথ্যপ্রমাণ আসে ওই নারী চিকিৎসকের সঙ্গে আরেক চিকিৎসক শাহাদাত হোসেনের একটি সর্ম্পক ছিল। সম্পর্কের বিষয়ে পুলিশ তথ্যপ্রমাণ পায়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত শুক্রবার জামালপুর শহরের শহীদ হারুন সড়কের নিজ বাসা থেকে তাঁকে পুলিশ আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। পরে তাঁকে আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার আসামি হিসেবে গত শনিবার বিকেলে জেলহাজতে পাঠানো করা হয়।

জামালপুরের পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) সীমা রানী সরকার প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার চিকিৎসকের সঙ্গে নিহতের সর্ম্পক ছিল। তাঁদের মধ্যে নিয়মিত কথাবর্তা হতো। দুজনে বিভিন্ন জায়গায় দেখাও করতেন। সেই সূত্র ও মুঠোফোনের বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে ওই চিকিৎসককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরে তিনি জিজ্ঞাসাবাদে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। ফলে তাঁকে ওই মামলার আসামি হিসেবে জেলহাজতে পাঠানো করা হয়।

মন্তব্য পড়ুন 0