বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে প্রতিদিন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন জামালপুর প্রেসক্লাব, জেলা প্রেসক্লাব, জেলা রিপোর্টার্স ক্লাব জামালপুর, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের জামালপুর জেলা শাখা, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব জামালপুর জেলা শাখা ও জামালপুর টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।

জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শোয়েব হোসেন, সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন, মো. জাহাঙ্গীর আলম, শুভ্র মেহেদী, মুস্তাফিজুর রহমান, তানভীর আহম্মেদ, জেলা রিপোর্টার্স ক্লাব জামালপুরের সভাপতি আতিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব জামালপুর জেলা শাখা সভাপতি মো. নোবেল, জামালপুর টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, একজন বিতর্কিত পুলিশ সুপারের প্রত্যাহারের এই আন্দোলন ষষ্ঠ দিনের মতো চলছে। কিন্তু তাঁদের দাবি মেনে নেওয়া হয়নি। পুলিশ সুপারের প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

আন্দোলনরত সাংবাদিকদের অভিযোগ, পুলিশ নারী কল্যাণ (পুনাক) সমিতির মেলা নিয়ে গত শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হন পুলিশ সুপার। তাঁদের উঠিয়ে নিয়ে পিটিয়ে চামড়া তুলে নেওয়ার হুমকিসহ নানা আপত্তিকর মন্তব্য করেন তিনি। তবে পুলিশ সুপার নাছির উদ্দিন আহমেদের দাবি, ‘বিষয়টিতে “আমি মাইন্ড করলাম” বলেছিলাম। আর কিছু বলিনি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন