স্মারকলিপি প্রদানের সময় বক্তব্য দেন জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান ও সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইউসুফ আলী ও সাধারণ সম্পাদক শোয়েব হোসেন, সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার জাহাঙ্গীর আলম, রিপোর্টাস ইউনিটি মেলান্দহ উপজেলা শাখার সভাপতি শাহাজামাল, সাংবাদিক এম সুলতান আলম, জুলফিকার মোহাম্মদ জাহিদ, আনোয়ার হোসেন, মাহফুজুর রহমান, শওকত জামান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, এই পুলিশ সুপার জামালপুরের সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য বিপজ্জনক। তাঁর আপত্তিকর মন্তব্যই তার প্রমাণ। তিনি সাংবাদিক পেশার জন্য হুমকির। কোনো ঘটনা ছাড়াই তিনি সাংবাদিকদের উঠিয়ে নিয়ে পিটিয়ে চামড়া তুলে নেওয়ার হুমকিসহ নানা আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। তিনি জামালপুরে থাকলে সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের জন্য হুমকির। তিনি সাংবাদিকদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ফাঁসানোর হুমকিও দিয়েছেন। ফলে তাঁকে জামালপুর থেকে দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় সাংবাদিকদের আন্দোলন চলতেই থাকবে।

সার্কিট হাউসে স্মারকলিপি প্রদানের সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রজাতন্ত্রের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী সেবা প্রদান করা ছাড়া জনগণের সঙ্গে অশোভন আচরণ করতে পারেন না। বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।

আন্দোলনরত সাংবাদিকদের অভিযোগ, পুলিশ নারী কল্যাণ (পুনাক) সমিতির মেলা নিয়ে গত শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হন পুলিশ সুপার। তাঁদের উঠিয়ে নিয়ে পিটিয়ে চামড়া তুলে নেওয়ার হুমকিসহ নানা আপত্তিকর মন্তব্য করেন তিনি। তবে পুলিশ সুপার নাছির উদ্দিন আহমেদের দাবি, ‘বিষয়টিতে “আমি মাইন্ড করলাম” বলেছিলাম। আর কিছু বলিনি।’