default-image

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় বাবুল মিয়া (৪০) নামে এক ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার রাতে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

নিহত বাবুল মিয়া উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের সাধুপুর গ্রামের মুনছব আলী শেখের ছেলে। তিনি নয়ানগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। পুলিশ বলছে, তাঁর এক চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে ধানখেতে সেচ দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের জের ধরে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হতে পারে।

এ ঘটনায় বাবুল মিয়ার বড় ভাই মুক্তি শেখ বাদী হয়ে ১৬ জনকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা হলেন বাদশা মিয়া (৩০), শরাফত আলী (৫০), ছফুরা বেগম (৪০) ও শেফালী খাতুন (৩৫)।  

বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে বাবুল মিয়ার সঙ্গে তাঁর চাচাতো ভাই লাল মিয়ার ধানখেতে সেচ দেওয়া নিয়ে তর্ক হয়। পরে লাল মিয়ার লোকজন গিয়ে বাবুলের ওপর হামলা চালান। তাঁকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন তাঁরা। স্থানীয় লোকজন বাবুল মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম ময়নুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, তুচ্ছ ঘটনায় এই হত্যাকাণ্ড। নিহত ব্যক্তি ও আসামিরা পরস্পরের আত্মীয়স্বজন। সামান্য ধানখেতে সেচ দেওয়ার বিষয় নিয়ে তর্ক হয়। সেই তর্ক থেকে আসামিরা বাবুল মিয়াকে পিটিয়ে হত্যা করেন। এজাহারভুক্ত ১৬ জন আসামির মধ্যে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন